
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর আদাবর থানার শ্যামলী অঞ্চলে অবস্থিত “হোটেল হানিফ”, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকে বিপর্যস্ত করা অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের অভিযোগে এই হোটেলটিতে নিয়মিতভাবে নারীর অশ্লীল ব্যবসা, মাদক সেবন-বিক্রয়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির মালিক জামাল ও ম্যানেজার এনামুল এসব কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাহায্যে অবৈধ কার্যক্রম বহাল রাখছেন বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী। ম্যানেজার এনামুল বলে আমরা প্রতি মাসে মাসে এলাকার নেতা এবং পুলিশকে টাকা দিয়ে এই ব্যবসা পরিচালনা করি। মালিক জামাল বলেন বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনাদেরকে একদম হাত-পা ভেঙে দিব। বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপে তারা জড়িত মাদকসহ একাধিক অপকর্মের।অবৈধ ও অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, হোটেল হানিফে রাতের অন্ধকারে কখনো নারীর অনৈতিক ব্যবসা হয়, কখনো মাদক সেবন-বিক্রয় চলে। স্থানীয়রা বলেন, পাশের আবাসিক এলাকার নিরাপদ পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। কিছু ব্যক্তি দাবি করেন, পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারির অভাবে এসব কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলছে। সংবাদ সংগ্রহের সময় হামলা ও ভাঙচুর গত কয়েকদিনে একদল সাংবাদিক যখন অনুসন্ধানী তথ্য সংগ্রহের জন্য হোটেল হানিফে পৌঁছান, তখন হোটেলের মালিক বা কর্মচারীরা তাদের বাধা দেন ও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। অভিযোগ করে বলেন যে সাংবাদিকরা আইন এবং প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে দায়িত্বে নেই, এবং তাদের ক্যামেরা, মোবাইল ফোনে প্রশ্ন করলে হোটেল কর্তৃপক্ষ ও কর্মীরা হুমকি প্রদান করেন, কঠোর ভাষায় কথা বলেন এবং সরঞ্জাম ভাঙচুরের চেষ্টা পর্যন্ত করেন। সাংবাদিকরা জানায়, তাদের উপর চড়াও হওয়া হয় এবং ক্যামেরা-মোবাইল ক্ষতের ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসন-পুলিশের ভূমিকা
ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের দাবী উঠে এসেছে—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর উচিত অবৈধ হোটেলগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। শ্যামলীর মতো আবাসিক এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রচলিত হতে দেওয়া পরিবেশ ও তরুণ সমাজের জন্য মারাত্মক বিপদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে আদাবর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
Leave a Reply